সবুজ পতাকা নেরে র্যালির সূচনা করেন অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওনাল ক্যান্সার সেন্টারের এমএস ডাক্তার গৌতম মজুমদার। এইদিন র্যালিটি রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে। হাতে প্লেকার্ড নিয়ে এইদিনের র্যালিতে বিভিন্ন নার্সিং কলেজের পড়ুয়ারাও সামিল হয়।
অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওনাল ক্যান্সার সেন্টারের এমএস ডাক্তার গৌতম মজুমদার জানান আগে রাজ্যে ক্যান্সারের সকল সুযোগ সুবিধা ছিল না। ফলে ক্যান্সার রোগীদের আগাম সনাক্ত করা যেত না। বর্তমানে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওনাল ক্যান্সার সেন্টারে।
২০০৮ সালে আগরতলা ক্যান্সার হাসপাতালকে রিজিওনাল ক্যান্সার সেন্টার হিসাবে ঘোষণা দেয়। তারপর থেকে ধিরে ধিরে রিজিনাল ক্যান্সার সেন্টারে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সম্প্রতি ক্যান্সার সার্জারিও চালু হয়ে গেছে। ক্যান্সার একটা ভয়াবহ রোগ।
এই রোগ সম্পর্কে সকলের কমবেশি জানা রয়েছে। ত্রিপুরাতে বর্তমানে প্রতি ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ জন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। দেশে ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্ত গড়ে ১০০ জন। মিজোরামে ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে ২০০ জন কেন্সারে আক্রান্ত।
তার কারন মিজোরামে তামাককে তরল ভাবে কম বয়স থেকে ব্যবহার করা হয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে ত্রিপুরা রাজ্যে ক্যান্সারের প্রকোপ সবচেয়ে কম বলেও জানান তিনি।