অনলাইন ডেস্ক, ৪ ফেব্রুয়ারী।।সময় যত এগোচ্ছে, ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে কৃষক আন্দোলন। তারই মধ্যে রিয়ানা গ্রেটা থুনবার্গদের টুইট সেই আন্দোলনে এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা।
অস্বস্তিতে পড়া মোদী সরকারকে বাঁচাতে আসরে নেমে পড়েছেন ভারতের জনপ্রিয় তারকারা। সেখানে শচীন তেন্ডুলকর থেকে অক্ষয় কুমারের মতো ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন। কিন্তু তাতে পরিস্থিতির যে খুব উন্নতি হয়েছে, তা কিন্তু বলা যাচ্ছে না।
আর এই পরিস্থিতিতে কৃষক আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলল বাইডেন প্রশাসন। মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র এই বিষয়ে জানান, গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সর্বদা জায়গা আছে ও সেই কথা ভারতের সর্বোচ্চ আদালতও তা স্বীকার করেছে। আলোচনার মাধ্যমে এই বিক্ষোভের সমাধান করা উচিত বলে জানান ওই মুখপাত্র।
এমন ভাবে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে যাতে এটা স্পষ্ট যে, নতুন মার্কিন প্রশাসন চায় না এমন মনে করা হোক যে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তারা নাক গলাচ্ছে। কারণ ইতিমধ্যেই রিহানা, গ্রেটা প্রভৃতির টুইট নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্য়ক্ত করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।
মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিসের ভাগ্নী মিনা হ্যারিসও ভারতীয় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের বিরুদ্ধে টুইট করে চলেছেন। এমনকী বিদেশমন্ত্রকের টুইটের জবাবেও তিনি বলেছেন যে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার্থে তিনি কথা বলেই যাবেন।
তবে ভারতের কৃষি সংস্কারকে যে আমেরিকা সমর্থন করছে সেটাও স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে। তারা বলেছে, ভারতীয় বাজারের সংস্কার ও বেসরকারি লগ্নি আসার প্রক্রিয়াকে তারা স্বাগত জানায় এবং ভবিষ্যতেও জানাবে।
তবে বিভিন্ন স্থানে কৃষি বিক্ষোভের জেরে যে ইন্টারনেট সংযোগ ছিন্ন করা হয়েছে তার নিন্দা করা হয়েছে। ইন্টারনেট থাকা বাকস্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও গণতন্ত্রের প্রতীক বলে জানানো হয়েছে।