এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইন আনার প্রস্তাব দিয়েছেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার। বিধানসভার স্পিকার নানা পাটোলে নিজেই এই কথা জানিয়েছেন।
তবে পাটোলে বলেছেন, ভোটদাতারা ইভিএম এবং ব্যালট যেকোন একটিতে ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাঁরা নিজেদের পছন্দমত ইভিএম বা ব্যালট যেকোন একটা বেছে নেবেন ভোট দেওয়ার জন্য।
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি নাগপুরের বাসিন্দা প্রদীপ উক্কে নামে এক ব্যক্তি বিধানসভার স্পিকারকে একটি চিঠি লেখেন। ওই চিঠিতে তিনি ইভিএম-এর পাশাপাশি ব্যালট পেপারে ভোট প্রক্রিয়া করানোর জন্য আবেদন করেন। উক্কের ওই চিঠি নিয়ে বৈঠক করেন বিধানসভার স্পিকার পাটোলে।
সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিধানসভার সচিব রাজেন্দ্র ভাগবত, ইলেক্টোরাল অফিসার বলদেব সিং-সহ প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তা। ওই বৈঠকে ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ওই বৈঠকের পরই উদ্ধব ঠাকরে সরকারকে স্থানীয় নির্বাচন এবং রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনার জন্য আইন তৈরির নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ। স্পিকার বলেছেন, সাধারণ মানুষ চাইলে যাতে ব্যালট পেপারে ভোট দিতে পারেন সেজন্য আমি রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে আইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছি।
ইভিএম নিয়ে অনেকের মনেই সন্দেহ রয়েছে। তাই তাঁরা ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণের প্রথা ফিরিয়ে আনার কথা বলেছেন। সংবিধানের ৩২৮ ধারায় এব্যাপারে আইন তৈরির ক্ষমতা রাজ্য বিধানসভার আছে। তবে স্পিকারের এই নির্দেশ নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে।
কারণ স্থানীয় নির্বাচন রাজ্য সরকার পরিচালনা করলেও বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থাকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উপর। সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনতে গেলে তাদের অনুমতি প্রয়োজন। এখন ঠাকরে সরকার কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার।