মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেডের দ্বিতীয় লাইট কম্বাট এয়ারক্রাফট উৎপাদন শুরু হল। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত আর অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল থাকবে না। আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও দেশে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, মাত্র তিনদিন আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা হ্যালের কাছ থেকে ৮৩ টি তেজস যুদ্ধ বিমান কেনার অনুমোদন দেয়।
হ্যালের কাছ থেকে এই ৮৩ টি তেজস মার্ক ওয়ান সংস্করণের যুদ্ধবিমান কিনতে সরকারের খরচ হচ্ছে ৪৮ হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই হ্যালের সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি চুক্তি হয়ে গিয়েছে। সামরিক বিমান কেনার ক্ষেত্রে দেশের কোনও সংস্থার সঙ্গে এর আগে এত বড় অংকের চুক্তি কখনও হয়নি। এদিন হ্যালের তৈরি তেজসের প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেন রাজনাথ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, তেজস শুধু দেশীয় যুদ্ধবিমান নয়, এর সমতুল্য বিদেশি যুদ্ধবিমানগুলির থেকেও বেশ কয়েকটি বিষয়ে এগিয়ে আছে।
বিদেশি যুদ্ধবিমানের তুলনায় এর দাম অনেক কম। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশ তেজস কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। আগামী কয়েক বছরে আমরা নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে বিশ্বের অন্যদেশকেও এই বিমান বিক্রি করব। কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন রাজনাথ।