একই সঙ্গে তিনি সরকারকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘বিল্ড ব্রীজ, নট ওয়ালস’। অর্থাৎ সেতু বানান, দেওয়াল নয়। ইতিমধ্যেই সিঙ্ঘু ও তার চারপাশের এলাকায় দুর্গের মত পাঁচিল তৈরি করা হয়েছে। গাজীপুর-মিরাট হাইওয়েতে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে চারদফা ব্যারিকেডের সামনে লাগানো হয়েছে কাঁটাতারের বেড়া। দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তেও সিমেন্টের ব্যারিকেডের মধ্যে বসানো হয়েছিল লোহার হুক।
দিল্লি হরিয়ানা সীমান্তের অন্য একটি হাইওয়ে সিমেন্টের পাঁচিল দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও রাহুল অভিযোগ করেছিলেন সরকার চাষিদের মারধর করছে। তাঁদের হুমকি দিচ্ছে। রাহুল এদিন আরও একবার বলেন, বিতর্কিত কৃষি আইনগুলি সরকারকে দ্রুত বাতিল করতে হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই তিন আইন বাতিল হচ্ছে ততক্ষণ কৃষকদের এই আন্দোলন চলবে। কৃষকদের এই আন্দোলনের পাশে থাকবে কংগ্রেস।
কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধিও এদিন কৃষক আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। প্রিয়াঙ্কা বলেন, এই সরকার শুধু মাত্র কয়েকজন শিল্পপতির ভাল করে। বাকি মানুষের কথা তারা ভাবেই না। এই শিল্পপতিরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির বন্ধু। সে কারণেই তাঁদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এত দরদ।