শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে একটা তথ্য বাদে বাকি সবটা মিথ্যা তথ্য তুলে ধরেন তিনি। সত্য তথ্যটা হলো সেদিন শিক্ষকরা আন্দোলন কোনরকম অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি করেননি। বাকী সমস্ত তথ্য ছিল উনার সম্পূর্ণ মিথ্যা। শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের এই ধরনের পচা বক্তব্য বাজারে বিক্রি হবে না। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চলছিল শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। কারণ শিক্ষক শিক্ষিকারা মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সেদিন কথা বলতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয়েছে।
রবিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই তথ্য তুলে ধরেন বিরোধী দলের সম্পাদক গৌতম দাস। তিনি বলেন, ২০০২ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত গেজুয়েট এবং পোস্ট গ্যাজুয়েট পদের জন্য বিজ্ঞাপন বের হয়। পরবর্তী সময় আর্থিক কারণে নিয়োগ করতে দেরি হয়। আর এটা বামফ্রন্ট সরকার বেআইনি কাজ করেছে বললে সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আর এটা আইনেও রয়েছে। এমনটাই অভিমত জানান তিনি। আর ২৭ জানুয়ারি সি পি এম -এর সমাজদ্রোহী এ ধরনের অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি করতে অংশ নিয়েছিল বললে সেটা সম্পূর্ণ ভুল।
এর জন্য চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত বিরোধীদল সিপিআইএম। এমনকি বিরোধী দলনেতা আন্দোলনে মদত দিচ্ছে মানিক সরকার এবং গৌতম দাস বলে কুৎসা রটানো হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এ ধরনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পাশে আছে বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার এবং বিরোধীদলের রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাস বলে জানান তিনি।