সভায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা জানান, প্রথম পর্যায়ে সারা রাজ্যে ৫১,৫৬৩ জনকে কোভিড প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ এরমধ্যে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ১৫,৩৬৪ জনকে কোভিড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়৷ ইতিমধ্যে রাজ্যে ২৮,১৫২ জনকে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া হয়েছে৷ পশ্চিম জেলায় প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মধ্যে ৭,৩১৩ জনকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি ক্লিনিক, নার্সিংহোম সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, নার্স ও সমস্ত স্তরের কর্মীদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷
এর পাশাপাশি আই এল এস হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী সহ অন্যান্য কর্মীদের মিলিয়ে মোট ৫৪৬ জনের মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ৩৫৮ জনকে কোভিড প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়েছে৷ আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট ২,৬৯১ জনকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়৷ ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ত্রিপুরা ইন্সটইটিউট অব প্যারামেডিকেল সায়েন্সে আরও ২,০৩৮ জনকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়৷ সভায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা ডা. শৈলেশ কুমার যাদব কোভিড-১৯ টিকাকরণ সম্পর্কিত মত বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত চিকিৎসক, অধ্যাপক এবং ছাত্রছাত্রীদের সাথে আলোচনায় জানান, বর্তমানে বিদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রে ভ্রমণের সময়ে কোভিড ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷
এদিন মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন টি এম সি’র প্রিন্সিপাল ডা. অরিন্দম দত্ত, পশ্চিম জেলার সি এম ও ডা. দেবাশিস দাস সহ মেডেকেল কলেজ এবং টিপসের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ছাত্রছাত্রীরা৷ উল্লেখ্য, আগামী ৬ ফেবয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় কোভিড-১৯ প্রতিষেধক দেওয়ার কর্মসূচি৷