উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বাধা দিলে সেই বাধা অতিক্রম করেই হবে জমায়েত। প্রয়োজনে শনিবার দিল্লি যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষকরা। ইতিমধ্যেই গাজিপুর সীমান্তে পৌঁছে গিয়েছেন প্রায় কুড়ি হাজার কৃষক।
কৃষকদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে আপ ঘোষণা করেছে, দিল্লি সরকার কৃষকদের পাশে আছে জল, খাবার কোনও কিছুরই অভাব হবে না। তৃণমূলের তরফেও টুইট করে বলা হয়েছে, বিজেপি সরকার কৃষকদের যেভাবে ভয় দেখাচ্ছে তা নিন্দনীয়।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি সরকারকে এই ইস্যুতে তোপ দাগেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। তিনি বলেন, সরকারের উচিত কৃষকদের দাবি মেনে নেওয়া। সরকারের জন্য দেশে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। গ্রাম থেকে এরপর শহরে ছড়িয়ে পড়বে এই ক্ষোভ।
রাহুলের কথায়, ‘তিনি কৃষি আইনের প্রথমটি কিষাণ মাণ্ডি ব্যবস্থায় আঘাত আনবে। দ্বিতীয়টি পুঁজিপতিদের সুবিধা করবে ও তৃতীয় আইনটি দেশের কৃষকদের আদালতে যাওয়ার পথও বন্ধ দেবে’।
রাহুল এদিন বলেন, কেন সেদিন বিক্ষোভকারীদের লালকেল্লা পর্যন্ত যেতে দেওয়া হল? কী করছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও পুলিশ? কেন পুলিশ বাধা দিল না সেভাবে? ঘটনায় নৈতিক দায় নিয়ে অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত বলেও মনে করেন রাহুল।