বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার অভিনেত্রী ঘুমের মধ্যে মারা যান বলে দ্য র্যাপকে জানান তার ব্যবস্থাপক।
কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে লিচম্যান ২২টি এমি মনোনয়ন পান, জিতেছেন ৮বার। যা জয় ও মনোনয়ন দুই ক্ষেত্রেই রেকর্ড ছিল।
টিভি ইতিহাসে রাইজিং হোপ, দ্য ব্র্যান্ড নিউ লাইন, দ্য এলেন শো, লেসি ও আরও অনেকে দীর্ঘ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে স্প্যাংলিশ ও আই ক্যান অনলি ইমাজিন ছবিতে।
এ ছাড়া কণ্ঠ দেন অ্যানিমেশন ছবি ‘দ্য ক্রুডস’-এ। ১৯৪০ এর দশক থেকে ২৮৭টির বেশি ছবি ও টিভি শোতে অভিনয় করেছেন ক্লোরিস লিচম্যান।
‘দ্য মেরি টাইলর মুর শো’তে বাতিকগ্রস্ত বাড়িওয়ালির চরিত্রে অভিনয় করে সবার মনোযোগ কাড়েন লিচম্যান। এর পর তাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয় স্পিন অফ ‘ফাইলিস’। অবশ্য এর আগেই দুটি এমি লাভ করেন তিনি।
‘রাইজিং হোপ’ সিরিজের জন্য ২০১১ সালে শেষবার এমি মনোনয়ন পান। লিচম্যান সিরিজের ৮৩টি পর্বে অভিনয় করেছিলেন।
‘দ্য লাস্ট পিকচার শো’ ছবিতে ছোট শহরের এক স্কুলশিক্ষকের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে জেতেন পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার।
তার অন্য ছবির মধ্যে আছে হিস্ট্রি অব দ্য ওয়ার্ল্ড পার্ট ওয়ান, হাই অ্যাংজাইটি, বুচ ক্যাসিডি অ্যান্ড দ্য সানড্যান্স কিড ও কিস মি ডেডলি।
লিচম্যান আমেরিকায় লোয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মিস আমেরিকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। নিউইয়র্কে তার পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
২০০৯ সালে ‘ক্লোরিস’ নামের আত্মজীবনী প্রকাশ করেন এ অভিনেত্রী। তিনি প্রাণী অধিকার সংগঠন পেটার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিরামিষভোজীদের পক্ষে প্রচারেও অংশ নেন।