দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা পাকিস্তানের এটি মাত্র পঞ্চম জয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম সাদা পোশাকের সংস্করণে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর স্বাদ নিল তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকা উপমহাদেশে টানা ৮ টেস্টে হার হজম করলো। দ্বিতীয় ইনিংসে প্রোটিয়াদের অল্পতে আটকাতে ৩৫ রানে ৫ উইকেট নেন অভিষিক্ত নুমান। নুমানের দ্যুতি ছড়ানোর দিনে কম যাননি লেগ স্পিনার ইয়াসিরও। ৪ উইকেট নিতে তিনি খরচ করেন ৭৯ রান।
তৃতীয় দিনের ৪ উইকেটে ১৮৭ রান নিয়ে খেলতে নেমেছিল সফরকারীরা। এদিন আর মাত্র ২৫.৩ ওভার ব্যাটিং করতে পারে দলটি। হাতে থাকা বাকি ৬ উইকেট খুইয়ে তারা যোগ করে মোটে ৫৮ রান। তার সিংহভাগই আসে টেম্বা বাভুমার ব্যাট থেকে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ৯৩ বলে ৪০ রান করেন তিনি।
অল্প টার্গেট তাড়া করতে নেমে মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত দেখেশুনে এগোন ইমরান বাট ও আবিদ আলী। কিন্তু পেসার নরকিয়ার করা দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই গড়বড় করে ফেলেন দুজনে। বাইরের বল স্টাম্পে টেনে বিদায় নেন আবিদ। বাজে শটে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইমরান।
তাতে খেলায় কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হলেও তা মিইয়ে যেতে সময় লাগেনি। তৃতীয় উইকেটে ৮৫ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়েন আজহার আলী ও অধিনায়ক বাবর। কিন্তু জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে মহারাজের স্পিনের শিকার হন বাবর। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৯ বলে ৩০ রান। আজহার অপরাজিত থাকেন ৪৭ বলে ৩১ রানে। মহারাজকে কাট করে চার মেরে খেলা শেষ করেন প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ফাওয়াদ আলম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস: ২২০
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ৩৭৮
দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংস: (আগের দিন ১৮৭/৪) ১০০.৩ ওভারে ২৪৫ (মহারাজ ২, ডি কক ২, বাভুমা ৪০, লিন্ডে ১১, রাবাদা ১, নরকিয়া ০, এনগিডি ৩*; শাহিন ০/৬১, হাসান ১/৬১, নুমান ৫/৩৫, ইয়াসির ৪/৭৯, আশরাফ ০/৮)
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংস: ২২.৫ ওভারে ৯০/৩ (ইমরান ১২, আবিদ ১০, আজহার ৩১, বাবর ৩০, ফাওয়াদ ৪; রাবাদা ০/২১, নরকিয়া ২/২৪, মহারাজ ১/১২, এনগিডি ০/১৭, লিন্ডে ০/১৩)
ফল: পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে পাকিস্তান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে।