পরবর্তী সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ ছুটে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে আলোচনা করেন। এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কোনরকম আশ্বাস দিতে না পারলেও বলেন মুখ্যমন্ত্রী মেলার উদ্বোধন করতে যাবে সুতরাং রাস্তাটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য। সে মোতাবেক ছাত্রছাত্রীরা রাস্তাটি অবরোধ মুক্ত করে দেয়। ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যা বিষয়ে কলেজের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ গুপ্তের সাথে কথা বললে তিনি জানান, চলতি বছর অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির শেষ দিন। কিন্তু মেরিট লিস্ট অনুযায়ী ভর্তি করানো হলে বহু ছাত্র-ছাত্রী তার পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারেনি। তবে এ বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভাবতে হবে না। তিনি দপ্তরের অধিকর্তার সাথে কথা বলেছেন।
সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে বলে জানান তিনি। তবে ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের পছন্দের কলেজে ভর্তি হওয়ার মূল উদ্দেশ্যটা হলো বহু গরিব ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যারা দূর-দূরান্তের কলেজগুলোতে ভর্তি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে খরচ বহন করা কষ্টকর হয়ে পড়বে। তাই ছাত্রছাত্রীরা তার বাড়ীর নিকটবর্তী কলেজে ভর্তি হতে চায় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। তবে এখন দেখার বিষয় দপ্তর এবং দপ্তরের মন্ত্রী ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি তাদের জন্য কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তবে ছাত্রদের পক্ষ থেকে জানা যায় দীর্ঘ ছয় মাস ধরে তারা কলেজে ভর্তি হতে পারে নি। শুক্রবারও কলেজে এসে প্রায় সাত থেকে আট শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হতে পারি নি। দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীর অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা অসন্তোষ প্রকাশ করে।