তাই তাদের পরীক্ষা মাধ্যমে চাকরির সুযোগ নিতে বয়সের ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চাকুরিচ্যুত একটা অংশকে সিপিআইএম উস্কানি দিয়েছে। শিক্ষা দপ্তরের বিভিন্ন দপ্তরে তারা হামলা হুজ্জুতি করছে। তা শিক্ষকেরা করতে পারে বলে মেনে নেওয়া যায় না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। বুধবারে শহরে এ ধরনের অভাবনীয় ঘটনার পর সন্ধ্যায় সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাস সাংবাদিক সম্মেলন করে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে বলেন ইন্টারভিউ দিয়ে তারা চাকরি পাবে এর নিশ্চয়তা কি? কিন্তু তিনি জানেন না এটা বলে তিনি চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের যোগ্যতার অপমান করেছেন। এ ধরনের মন্তব্য তীব্র নিন্দা জনক। বুধবারের আন্দোলন ছিল মেলার মাঠের লাল বাড়ির উস্কানিমূলক আন্দোলন।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পেছনে ছিল সমাজদ্রোহী। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে টিগার টিপার প্রচেষ্টা করেছিল। তারা পাপাই হত্যাকাণ্ডের মতো লাশ খুঁজছিল এদিন। পুলিশ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। এর জন্য রাজ্য পুলিশকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। পাশাপাশি আগামী দিনে সিপিআইএম -এর ষড়যন্ত্রে পা না ফেলতে আহ্বান জানান। তবে বুধবার শহরে আইন-শৃংখলার নিয়ে যে ধরনের উক্তি এবং আচরণ করেছে এটা শিক্ষকতার পরিচয় নয়। দিল্লির আন্দোলনের সাথে তেমন কোন ফারাক নেই এই আন্দোলনের। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার সেদিনের ঘটনা নিয়ে যে ধরনের মন্তব্য করেছেন তা থেকে স্পষ্ট উনার ইন্ধন রয়েছে। কিন্তু চাকরিচ্যুতদের এই অবস্থার জন্য দায়ী একমাত্র সিপিআইএম। এর তদন্ত চলছে। শুধু সময়ের অপেক্ষা করতে হবে সমস্ত কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে। তাই বিরোধী দলের এখন ভয় তাড়া করছে। তাই তারা সমস্ত কিছু বুঝতে পেরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে। বুধবার এ অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য প্রশাসনকে শহরের সিসি ক্যামেরা দেখে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় বিজেপি। যাতে আগামী দিন সিপিআইএম -এর ফাঁদে কেউ পা না ফেলে, এর জন্য দাবি জানালেন প্রদেশ বিজেপি মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য।