কিন্তু আইন প্রত্যাহারে নারাজ কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই কৃষি আইনে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্র তাও আইন প্রত্যাহারে নারাজ। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র-কৃষক ১১ দফার আলোচনায় কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি।
তার উপর আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের মিছিলকে কেন্দ্রকে গণতন্ত্র দিবসের দিন উত্তেজনা ছড়ায় দিল্লিতে। লালকেল্লায় গিয়ে নিজেদের সংগঠনের পতাকা উড়িয়ে দেন কৃষকরা।
শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সংসদের বাদল অধিবেশন। এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষনেও উঠে আসে কৃষি আইন প্রসঙ্গ। এদিন রামনাথ কোবিন্দ বলেন, ‘সরকারের আনা নয়া তিন কৃষি আইনে উপকৃত হবে দেশের দশ কোটি মানুষ। যদিও এই আইনে স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সরকার আদালতের নির্দেশ মেনে চলবে’।
যদিও এদিনের ভাষণে দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত কৃষকদের নিয়ে সরাসরি কিছু বলেন নি। শুধু বলেছেন, ‘আন্দোলনের অধিকার সকলের আছে। তা শান্তিপূর্ণ হওয়া উচিত।
গণতন্ত্র দিবসের দিন যা হয়েছে তা দুর্ভাগ্যপূর্ণ। জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে’। রাষ্ট্রপতির ভাষণ যেহেতু বয়কট করেছেন বিরোধীরা, তাই এদিন বিরোধী শূন্য সভাতেই বক্তব্য রাখেন দেশের রাষ্ট্রপতি।