অনলাইন ডেস্ক, ২৮ জানুয়ারি।।
সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লির লালকেল্লায় যে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল তার জন্য সরাসরি নরেন্দ্র মোদি সরকারকে দায়ী করল শিবসেনা। শিবসেনা স্পষ্ট বলেছে, মোদি সরকারই কৃষকদের হিংসার আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছে।
বৃহস্পতিবার শিবসেনা মুখপাত্র সামনায় লেখা হয়েছে, সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লিতে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা কেউ সমর্থন করতে পারে না।
নতুন তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষকরা দিল্লিতে ৬০ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই আন্দোলন সাংঘাতিক হিংসাত্মক চেহারা নেয় মঙ্গলবার।
কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে ওঠার পিছনে তাঁদের কোনও ভূমিকা নেই। তাঁদের দাবি, এর পিছনে কোনও চক্রান্ত রয়েছে। শিবসেনা অবশ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারই কৃষকদের হিংসার আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছে।
শিবসেনার দাবি, সরকারের অনড় মনোভাবের জন্যই শেষ পর্যন্ত কৃষকদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। দিল্লির প্রবল ঠান্ডায় কৃষকরা আর কতদিন এভাবে খোলা আকাশের নিচে বসে থাকতে পারেন সেটা ভেবে দেখা উচিত।
শিবসেনার দাবি, ৬০ দিন ধরে কৃষকরা শান্তিপূর্ণভাবেই বিক্ষোভ আন্দোলন করছেন। কৃষকদের মধ্যে কোনও ভাঙ্গন দেখা যায়নি। সে কারণেই কেন্দ্রকে তাঁদের সামনে নতজানু হতে হয়েছে।
এরই বদলা নিতে মোদি সরকার কৃষকদের বিভ্রান্ত করেছে। আসলে সরকারের উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের আন্দোলনে হিংসা ছড়িয়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করা। সে কারণেই এই হিংসার ঘটনায় রীতিমতো উস্কানি দেওয়া হয়েছে।
সামনার সম্পাদকীয়তে আরও লেখা হয়েছে, লালকেল্লায় যে জনতা ঢুকে পড়েছিল তার নেতৃত্বে ছিলেন যুবা দীপ সাধু। এই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের খুব কাছের লোক। পঞ্জাবের বিজেপি সাংসদ সানি দেওয়ালের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
শিবসেনার সুরে সুর মিলিয়ে কৃষক নেতা রাজেশ টিকায়েত অভিযোগ করেছেন, গত দুমাস ধরে কৃষকদের মধ্যে এসে নিয়মিত বিদ্রোহ ও বিচ্ছিন্নতাবাদের কথা বলেছেন দীপ।