ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বুধবার এক বুলেটিনে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এতে বলা হয়, ৬ জানুয়ারি কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের হামলা কিছু চরমপন্থীদের উৎসাহিত করে থাকতে পারে।
সফল প্রেসিডেনশিয়াল অভিষেকের পর সামনের সপ্তাহগুলোতে হুমকির আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ষড়যন্ত্রের তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়।
এতে বলা হয়, ‘আদর্শগতভাবে উদ্বুদ্ধ কিছু সহিংস উগ্রপন্থী মানুষ সরকারের কর্মকাণ্ড ও প্রেসিডেন্ট পদের পরিবর্তন করতে এবং মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে উসকানি পাওয়া অন্যান্য অসন্তোষের কারণে সংঘবদ্ধ হয়ে অস্থিরতা বা সহিংসতা চালাতে পারে। ’
গত এক বছরের মধ্যে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ থেকে এই প্রথম কোনো সতর্কতা জারি করা হলো।
প্রসঙ্গত, মার্কিন কংগ্রেসে জো বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়ার সময় ক্যাপিটলে হামলা চালায় ট্রাম্প সমর্থকেরা। নির্বাচনের পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করতে থাকেন যে, নির্বাচনে জালিয়াতির মাধ্যমে জয় পেয়েছেন বাইডেন।
সেদিন এক সমাবেশে সমর্থকদের প্রতি ট্রাম্প বলেন, ‘তোমরা যদি তীব্র লড়াই না কর তাহলে তোমাদের আর কোনো দেশ থাকবে না। ’
এরপর তার সমর্থকেরা ক্যাপিটলের দিকে এগিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক সেখানে প্রবেশ করে। নজিরবিহীন ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয় কংগ্রেস ভবন। এ ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট পাঁচজন নিহত হন।
এ ঘটনাকে মার্কিন ইতিহাসে অন্যতম কালোদিন হিসেবে আখ্যা দেয় সংবাদমাধ্যমগুলো। এ হামলার উসকানির জন্য ট্রাম্পকেই দায়ী করেন রাজনৈতিক নেতারা। যার ফলে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছেন তিনি। ফেব্রুয়ারিতে তার অভিশংসন ট্রায়াল হবে সিনেটে।