অনলাইন ডেস্ক, ২৮ জানুয়ারি।।মঙ্গলবার সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লির রাস্তায় ট্রাক্টর মিছিল করেছিলেন কৃষকরা। এক সময় সেই মিছিল হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। কৃষকদের এই হিংসাত্মক আন্দোলন নিয়ে গোটা দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন মহল থেকে কৃষক নেতাদের সমালোচনা শুরু হয়। এরই মধ্যে বিজেপি সাংসদ নন্দকিশোর গুর্জর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে একটি চিঠি লিখলেন।
ওই চিঠিতে নন্দকিশোর লালকেল্লার ঘটনায় জড়িত নেতাদের ফাঁসি দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই বিধায়কের দাবি, দিল্লি সীমান্তে অবস্থানকারী কৃষকদের মধ্যে যারা হিংসায় জড়িত ছিল তাদের চিহ্নিত করে পুলিশকে গুলি করে মারার নির্দেশ দেওয়া হোক।
উল্লেখ্য, লালকেল্লার হিংসাত্মক ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা মন্ত্রিসভার কোনও প্রবীণ সদস্য মুখ খোলেননি। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ওই হিংসাত্মক আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন একমাত্র প্রকাশ জাওড়েকর।
তবে বিভিন্ন রাজ্যের ছোট বড় বিজেপি নেতারা ওই হিংসাত্মক আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। নন্দকিশোর তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, অভিযুক্ত কৃষক নেতাদের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচারের ব্যবস্থা করা হোক।
তাঁদের ফাঁসি দেওয়া দরকার। কৃষক নেতাদের ওই ঘটনায় জড়িত থাকা নিয়ে মুখ খুলেছেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব।
পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের ওই হিংসাত্মক ঘটনার জন্য দায়ী কৃষক নেতারা। কৃষক সংগঠনগুলি নিয়ম মেনে মিছিল করেনি। দুপুর ১২ টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ওই মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা মানা হয়নি। মঙ্গলবারের ওই হিংসাত্মক ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আটক করা হয়েছে ৫০ জনকে। বিজেপির আইটি শাখার প্রধান অমিত মালব্য মন্তব্য করেছেন, মঙ্গলবারের ঘটনা নিঃসন্দেহে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।