কাতারভিত্তিক আল জাজিরা জানায়, প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশনের প্রধান ক্যারিসা ইতিনি এ তথ্য দিয়েছেন।
শুরু থেকে করোনার পরিসংখ্যান প্রকাশ করে আসা ওয়ার্ল্ডোমিটার্স ডট ইনফো জানাচ্ছে, বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত ২১ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন। যার প্রায় অর্ধেকই হচ্ছে দক্ষিণ ও উত্তর আমেরিকায়।
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও মেক্সিকোতেই মৃত্যু হয়েছে যথাক্রমে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৭, ২ লাখ ২০ হাজার ২৩৭ ও এক লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৯ জন।
ক্যারিসা ইতিনি বলেন, ‘উত্তর আমেরিকা জুড়ে হাসপাতালের ওপর চাপ বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যেও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ৮০ শতাংশ শয্যা করোনা রোগীতে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। একই পরিস্থিতি মেক্সিকোর অনেক অঙ্গরাজ্যে। ’
নির্দিষ্টভাবে ব্রাজিলের অবস্থা বেশি উদ্বেগজনক। ব্রাজিলের অনেক অঙ্গরাজ্যে আইসিইউ শয্যার তিন-চতুর্থাংশেই এখন করোনা রোগী।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে আগামী চার সপ্তাহের জন্য সতর্কতা দিয়েছেন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই সময় অন্তত ৯০ হাজার মানুষ প্রাণ হারাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে করোনা প্রতিরোধী কয়েকটি টিকা দেওয়া হচ্ছে মানুষকে। উত্তর আমেরিকা ও লাতিন আমেরিকায়ও শুরু হয়েছে টিকা কার্যক্রম। প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে থাকা ব্রাজিলও গত সপ্তাহে টিকাদান শুরু হয়। টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে দেরি হওয়ায় চাপের মুখে ছিল দেশটির সরকার।
আমেরিকা অঞ্চলে করোনায় মানুষের এত মৃত্যুর জন্য সরকারগুলোকে দায়ী করে থাকে বিশেষজ্ঞরা। যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর লকডাউন বিরোধী অবস্থান ব্যাপক সমালোচিত হয়।