আর এই বিষয়গুলি সম্পর্কে জেনে দিল্লি থেকে রাজ্যে আসছেন কংগ্রেস নেতৃত্বরা। আগামী ২৯ জানুয়ারি আগরতলাতে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। নেতাজি স্কুলের মাঠ থেকে মিছিল শুরু হবে। কিন্তু এতে শাসক দলের নেতৃত্বরা আতঙ্ক গ্রস্ত হয়ে গ্রাম পাহাড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কর্মীরা সমাবেশে অংশ না নিতে হুমকি দিচ্ছে। বুধবার বিকালে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই অভিযোগ তুলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযুষ কান্তি বিশ্বাস। তবে এদিনের এই হুঙ্কার র্যালির উদ্দেশ্য হল দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি, বেকারদের কর্ম সংস্হানের অভাব, চিতফান্ডে ক্ষতিগ্রস্হদের সমস্যা সমাধান, সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে, পেট্রোল ড্রিজেলের মুল্য অধিক। অধিক মূল করে মানুষের প্যাকেট কাটছে।
আর আদানি আম্বানির প্যাকেট ভরছে। এগুলির বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি বলে জানান তিনি। রাজ্যে চাকুরিচ্যুতদের সাথে সরকারের কথা বলার ছিল। তারা যাতে সন্তোষ্ট হতে পারে সেই ব্যবস্হা নেওয়া দরকার ছিল। তারা গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে দাবি জানাতে পারে। কারন সরকার তাদের ভীষণ ডকুমেন্টে আশ্বাস দিয়েছিল। তাই তারা দাবি করছে। কিন্তু আজকের পরিস্হিতির জন্য সরকার দায়ী। এই পরিস্হিতি করেছে পূর্বের সরকার সি পি এম এবং বর্তমান বি জে পি। সুতরাং বুধবারের ঘটনা নিন্দনীয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।