এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশালগড় থানায় মামলা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কয়েকজনকে আটক করে। ধৃতদের মধ্যে সংখ্যালঘু কংগ্রেস নেতা জয়দুল হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তী সময় সেটা দলের গোষ্ঠী কোন্দল বলে প্রচার করে শাসক দলের কর্মীরা। আর এতে কংগ্রেস কমিটির মধ্যে ক্ষোভের দানা বাঁধতে শুরু হয় শাসকদলের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বুধবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরাজিৎ সিনহা পুলিশের সদর কার্যালয় ঘেরাও করে। এদিন মৌলানা আবুল কালাম গেস্ট হাউজ থেকে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরাজিৎ সিনহা নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়।
মিছিলটি শেষ হয় পুলিশের সদর কার্যালয়ের সামনে। সেখানে রাস্তা অবরোধ করে কংগ্রেস কর্মীরা বিক্ষোভ দেখায়। প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি বিরাজিত সিনহা জানান, সংখ্যালঘু কংগ্রেস নেতা জয়দুল হোসেনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাসের উপর পুলিশের সামনে আক্রমণ করেছে শাসকদলের দুষ্কৃতিরা। পুলিশ চাইলে সিসি ক্যামেরা দেখে তদন্ত করতে পারে। এবং সংখ্যালঘু কংগ্রেস নেতা জয়দুল হোসেনকে বিনা শর্তে মুক্তি দিতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। পরে একটি প্রতিনিধি দল ডেপুটেশন প্রদান করে এ আই জি সুব্রত চক্রবর্তী কাছে।
এবং নিঃস্বার্থে সংখ্যা লঘু কংগ্রেস নেতা জয়দুল হোসেনকে মুক্তি দিতে দাবি জানানো হয়। বিষয়টি পুলিশ আধিকারিক বিবেচনা করে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলে ডেপুটেশনের পর জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা প্রশান্ত সেন চৌধুরী। এদিন প্রতিনিধিদলে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কায়াম খান, এন দাস, ইজাৎ আলি, সুশান্ত চৌধুরি সহ অন্যান্যরা। এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শনের উপস্থিত ছিলেন এছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের আহবায়ক হরেকৃষ্ণ ভৌমিক অন্যান্য নেতৃত্ব।