এই প্রথম দেশের সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকছেন না কোনও প্রধান অতিথি

অনলাইন ডেস্ক, ২৫ জানুয়ারি।। করোনা পরিস্থিতি গোটা বিশ্বের মানচিত্রে সবকিছুই যেন বদলে দিয়েছে। রাত পোহালেই মঙ্গলবার সকালে সাধারণতন্ত্র দিবস পালন করবে গোটা দেশ।

কিন্তু দেশের সাধারণতন্ত্র দিবস পালনের এই অনুষ্ঠানে এই প্রথম কুচকাওয়াজে কোনও প্রধান অতিথি উপস্থিত থাকছেন না। ৫৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম এই প্রথা ভাঙতে চলেছে। করোনা পরিস্থিতির জন্যই এবার কোনও প্রধান অতিথি উপস্থিত থাকবেন না কুচকাওয়াজে।

তবে শুধু যে প্রধান অথিতি থাকছেন না তা নয়, এবার কুচকাওয়াজের বহু পুরনো নিয়মও বদলে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দেশের ৭২ তম সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এবারও রাজপথে প্যারেডের আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু তা অন্যান্যবারের তুলনায় অনেকটাই আলাদাভাবে।

করোনাজনিত পরিস্থিতিতে এবার প্যারেড হবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে। কমেছে কুচকাওয়াজের দৈর্ঘ। কমেছে সাধারণ মানুষের উপস্থিতির সংখ্যাও। থাকছেন না কোনও প্রধান অতিথি। করোনা পরিস্থিতির জন্যই এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বেশ কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, বিশ্বের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন না। যদিও চলতি বছরে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

কিন্তু সে দেশে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত সফর বাতিল করেন জনসন। গতবছর রাজধানী দিল্লিতে কুচকাওয়াজ দেখতে হাজির হয়েছিলেন ১.২৫ লক্ষ দর্শক। এবার সেই সংখ্যা ১৫ হাজারের বেঁধে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র সাড়ে চার হাজার মানুষ টিকিট কেটে অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন।

যারা উপস্থিত থাকবেন তাঁদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে দর্শকদের। অন্যবার বিজয় চক থেকে লালকেল্লা পর্যন্ত আর ৮.২ কিলোমিটার লম্বা রাস্তায় কুচকাওয়াজ হয়। এবার সেই পথ ৩.৩ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে।

এবারই প্রথম লাদাখের ট্যাবলো-সহ মোট ৩২ টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশ নেবে। সাধারণতন্ত্র দিবস পালন অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইতিমধ্যেই পথে নেমে পড়েছেন পুলিশকর্মীরা

এই নিয়ে  তৃতীয়বারের জন্য বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ১২২ জন সেনা আধিকারিক অংশ নিচ্ছেন। এবারের প্যারেডে থাকছে না মোটরসাইকেল স্টান্টস।

সাধারণতন্ত্র দিবসের এই অনুষ্ঠানের দিন দিল্লিতে কৃষকরা ট্রাক্টর মিছিল করতে চলেছেন। যা ইতিমধ্যেই পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে কৃষকরা জানিয়েছেন, তাঁরা সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরই ট্রাক্টর মিছিল করবেন।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?