টানা তিন জয়ে টানা নবম শিরোপার পথে সাত পয়েন্টে এগিয়ে গেল দলটি। বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকেরা।
কিন্তু সাফল্য মেলেনি। দ্বিতীয়ার্ধে তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়েছে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতে। ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে সফরকারীদের এগিয়ে নেন মুলার। গোলমুখে ডিফেন্ডার জশুয়া কিমিচের দুর্দান্ত ক্রস পেয়ে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন জার্মান ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লেভানদোভস্কি। কিমিচের থ্রু পাস পেয়ে ডি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে ডান পায়ের শটে আসরে নিজের ২৩তম গোলটি করেন পোলিশ স্ট্রাইকার।
৮৮তম মিনিটে মুলার নিজের দ্বিতীয় গোলটিও করেন কিমিচের ক্রস থেকে হেডে। দুই মিনিট পর ৩৫ গজেরও বেশি দূর থেকে বাঁ পায়ের শটে ব্যবধান আরও বাড়ান ডিফেন্ডার আলাবা।
১৮ ম্যাচে ১৩ জয় ও তিন ড্রয়ে বায়ার্নের পয়েন্ট হলো ৪২। সমান ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে লাইপজিগ।