পরিবারের লোকজনদের অনুপস্থিতির সুযোগক কাজে লাগিয়ে চোরের দল ওই বাড়িতে হানা দেয়। রবিবার সকালে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে আসে। চুরির ঘটনা নজরে আসার পরে স্থানীয়রা বাড়ির মালিক কমলকুমার সাহাকে খবর দেন। খবর পেয়ে বাড়ির মালিক ছুটে আসেন। এসে দেখেন ঘরের দরজা-জানালা ভাঙ্গা ।গ্যারেজ থেকে গাড়িটিও নিয়ে গেছে। ঘর থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে চোরের দল।
সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির মালিক কমল কুমার সাহা বিষয়টি আগরতলা পশ্চিম থানার পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পশ্চিম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে চুরি যাওয়া গাড়ি এবং জিনিসপত্র কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।রাজধানী আগরতলা শহরের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আগরতলা শহর এলাকায় প্রায়ই এ ধরণের চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে।পুলিশের টহলদারি মধ্যেই কিভাবে চোরেরা এধরনের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সংঘটিত করে চলেছে তা নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশের টহলদারি ও নজরদারিতে দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চোরেরা এই ধরনের কান্ড সংঘটিত করে চলেছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন।রাজধানী আগরতলা শহর ও শহরতলীর এলাকায় পরপর এ ধরনের চুরির ঘটনা ঘিরে রাজধানী এলাকায় বসবাসকারী জনগণের মধ্যে রাত্রিকালীন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সংশয় দেখা দিয়েছে।রাত্রিকালীন পুলিশি টহল বাড়িয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য জোরালো দাবি উঠেছে।