মিছিলটি বিদুর কর্তা চৌমুহনি, কর্নেল চৌমুহনি, রাধানগর সহ বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে যাওয়ার পথে মাঝ রাস্তায় গোর্খাবস্তি সংলগ্ন সার্কিট হাউস এলাকায় পুলিশ বেরিকেট দিয়ে আটকে দেয় মিছিলটি। অবশেষে মিছিলে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় বসে পড়ে। সেখানে একটি বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সভাপতি অঘোর দেববর্মা, সম্পাদক পবিত্র কর, বিরোধী দলের উপনেতা বাদল চৌধুরি উপস্থিত ছিলেন। দেশের কৃষকরা নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অবিচল। তীব্র শীতের মধ্যেও দীর্ঘ ৫৭ দিন ধরে দিল্লির সীমান্তে আন্দোলন করে আসছে।
আন্দোলনে আসি দেড় শতাধিক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এতটাই মানবতাহীন ভারতবর্ষের কৃষকদের আন্দোলন মানতে চাইছে না। পুঁজিপতিদের স্বার্থে নয়া আইন করে দিয়েছে।সরকার চাইছে কৃষকদের আইন পুঁজিপতিদের দ্বারা পরিচালনা করা হোক। এর দ্বারা স্পষ্ট মোদি সরকার কৃষকদের ফসল তৈরি করার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নিতে চাইছে। পূর্বের সরকারও কৃষকদের সাথে কোনো কাজ করিনি। বর্তমান সরকারও কৃষকদের বিপদ ডেকে আনছে। গত ১৫ বছরে দেশে ৫ লক্ষাধিক কৃষকদের আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। আর বর্তমানের সর্বনাশা আইন কৃষকদের আরো বড় বিপদ ডেকে আনবে।
সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য কমিটির সম্পাদক পবিত্র কর এমনটা আশঙ্কা ব্যক্ত করেন সভায়। কৃষকদের স্বার্থে আগামী ২৬ জানুয়ারি কৃষক সংগঠনগুলির রাজ্যেও বটতলা থেকে কামান চৌমুহনি পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ বিজেপি মানে স্বৈরাচার। বিজেপি মানে মানবতাহীন। বিজেপি মানে নির্দয়। রাজ্যের বিপ্লব দেবের সরকারও একইভাবে মনুষ্যত্বহীন বলে সরকারকে কাঠ গড়ায় তুলেন তিনি। এদিন দেশপ্রেম উদযাপনে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দল নেতা মানিক সরকার, আহ্বায়ক বিজন ধর সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।