তারপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণ রায়। তারপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আবক্ষ মূর্তিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা কল্যাণী রায়ের উপস্থিতিতে নেতাজি নগর উচ্চ বিদ্যালয়কে “ওয়ান টাইম প্লাস্টিক ফ্রী বিদ্যালয়” হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বিনা দেব নিজ উদ্যোগে ওনার বড় ভাই সুবোধ চন্দ্র দেবের নামে একটি ট্রাস্ট বোর্ড গঠন করে বিধায়িকার হাতে ৫০,০০০ টাকা দান করেন।
এই বিদ্যালয়ের পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীতে এবং দশম শ্রেণীতে ভালো ফলাফল করা প্রথম দুজন ছাত্র ছাত্রীকে এই ট্রাস্টি বোর্ড প্রত্যেক বছর কিছু অর্থ প্রদান করবে, তাদের পড়াশোনার সাহায্যার্থে। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বিনা দেবের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা কল্যাণী রায়। বিধায়িকা কল্যাণী রায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, দেশে অনেক মনীষী রয়েছেন যাদের জন্ম জয়ন্তী এবং প্রয়াণ দিবস পালন করা হয়। কিন্তু সেই জায়গায় নেতাজি ব্যতিক্রম। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম জয়ন্তী পালন করা হলেও প্রয়াণ দিবস পালন করা হয় না। কারণ তিনি ভারতের বীর সন্তান হয়ে প্রত্যেকটি ভারতবাসীর মনে শ্রেষ্ঠ আসন অধিকার করে আছেন।