ভারত- সহ গোটা আন্তর্জাতিক মহল চিনের এই আগ্রাসনের সমালোচনা করেছে। ইতিমধ্যেই সীমান্ত সমস্যা নিরসন করতে ভারত ও চিনের মধ্যে আট দফা আলোচনা হয়েছে। ওই সব বৈঠকে চিন সেনা পিছিয়ে নেওয়ার এবং পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা করেনি। বরং তারা সেনা বাড়িয়েছে এবং পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ আরও গতিশীল করেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের সীমান্ত সমস্যা নিয়ে মুখ খুললেন বায়ুসেনা প্রধান।
এক অনুষ্ঠানে ভাদুড়িয়া বলেন, আমরা চিনকে ভয় পাই না। ওদের আমরা মুখের মত জবাব দিতে তৈরি আছি। ওরা যদি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় আগ্রাসী মনোভাবের পরিচয় দেয় তাহলে ভারতও পাল্টা আক্রমণে যেতে পিছপা হবে না। অন্যদিকে লাদাখ সমস্যা মেটাতে রবিবার ফের ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হতে চলেছে। চিনের মল্ডোতে এই বৈঠক হবে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তবে এই বৈঠক নিয়ে খুব একটা আশাবাদী নন সেনা কর্তারা। এর আগেও ভারত ও চিনের মধ্যে আট দফা আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়নি। প্রাক্তন নর্দান আর্মি কমান্ডার লেফটেনেন্ট জেনারেল ডি এস হুডা জানিয়েছেন দু’দেশের মধ্যে আলোচনা করে এই সীমান্ত সমস্যা মেটানোর চেষ্টা চলছে। এটা ভাল খবর। কিন্তু চিন যেভাবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে চলেছে তাতে তাদের উপর বিশ্বাস রাখা যায় না। এই মুহূর্তে গোটা আন্তর্জাতিক মহল রবিবারের এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে।