দ্রুত টিকা পাঠাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি লিখেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো।
এরপর টিকা নিতে দিল্লিতে বিশেষ কার্গো বিমান পাঠানোর প্রস্তুতিও নেয় ব্রাজিল। কিন্তু ভারত থেকে না করে দেওয়া হয়।
তবে এক সপ্তাহ পর শুক্রবার ব্রাজিলকে টিকা পাঠাল ভারত। যদিও এর আগে চীনা টিকা দিয়ে কর্মসূচি শুরু করে দেয় লাতিন আমেরিকার দেশটি।
এদিকে টিকা পেয়ে মোদির প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলসোনারো। সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন রামায়ণের লঙ্কা পর্বে হনুমানের তুলে আনা বিশ্যলকরণী সঞ্জীবনীসহ গন্ধমাদন পর্বতের ছবি।
প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো তার টুইটার অ্যাকাউন্টে পর্তুগিজ ভাষায় লেখেন, ‘নমস্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের মতো অসাধারণ বন্ধুকে পাশে পেয়ে ব্রাজিল গর্ব অনুভব করছে। টিকা পাঠিয়ে আমাদের সহায়তা করার জন্য ধন্যবাদ।’
শনিবার পাল্টা টুইটে বার্তায় মোদির মন্তব্য, ‘প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো, কভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে যৌথ লড়াইয়ে নির্ভরযোগ্য সহযোগী হিসেবে ব্রাজিলকে পাশে পেয়ে আমরাও গর্বিত। ’
পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া-র কারখানায় তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের ২০ লাখ ডোজ পাঠানো হয়েছে ব্রাজিলে। এর জন্য আগেই ভারতকে অর্থ পরিশোধ করে ব্রাজিল।
বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যার তালিকা দ্বিতীয় অবস্থানে আছে লাতিন আমেরিকার দেশটি। এখন পর্যন্ত দুই লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। শনাক্ত হয়েছে ৮৭ লাখের বেশি।