ওই টিকা নেওয়ার পর কারোর শারীরিক সমস্যা হয়নি৷ তিনি বলেন, টিকা গ্রহণকারী আশাকর্মী সঞ্চিতা দাসচৌধুরী, পিকলু বণিক এবং হিমাদ্রি দেবরায়ের অন্য শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁরা হাসপাতালে ভরতি হয়েছেন৷ তিনি জিবি হাসপাতালের পর্রধান মাইক্রো বায়োলজিস্ট ডা. তপন মজুমদারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, করোনা-র টিকা সম্পূর্ণ রূপে সুরক্ষিত৷ এনএইচএম অধিকর্তার দাবি, সঞ্চিতা টিকা নেওয়ার পর রাতের আহার গ্রহণ করেননি৷ তাই, তাঁর শারীরিক সমস্যা হয়েছে৷ এছাড়া, হিমাদ্রি দেবরায় টিবি রোগে আক্রান্ত বলে পরীক্ষায় চিহ্ণিত হয়েছেন৷
পিকলু বণিক রোজ মদ্যপান করেন এবং টিকা নেওয়ার পর রাতেও তিনি মদ্যপান করেছিলেন৷ তাই, তাঁর পেটে ব্যথা হয়েছিল৷ তাঁর দাবি, আজ ত্রিপুরায় ১৬টি টিকাকরণ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে৷ টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮,১২৭৷ এর মধ্যে টিকা নিয়েছেন ৫,৫৩৮ জন৷ গড় হার ৬৮.১৯ শতাংশ৷ তাঁর সাফ কথা, ১৬ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯৫টি টিকাকরণ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে৷ তাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫,৯৫৬ এবং টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে ৯,৮০৭ জনকে৷ গড় হিসেবে ৬১.৫ শতাংশ৷ তাতে স্পষ্ট, টিকা নিয়ে মানুষের দ্বিধা কাটছে৷(হি.স.)