তাঁর দাবি, এখন পর্যন্ত বিএসএফ-এর ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার-এর ১,৫৩২ জন সদস্যের করোনার সংক্রমণ হয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে ৮২৬ জন রোগীকে কমপোজিট হাসপাতালে এবং বাকি সবাই কোভিড কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে৷ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আগরতলার জিবি পন্থ হাসপাতালে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে একজন জওয়ান প্রয়াত হয়েছেন৷ আইজি বলেন, বিএসএফ সমস্ত কোভিড প্রোটোকল বাস্তবায়নের সাথে কঠোর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে৷ তিনি বলেন, বিএসএফ জওয়ান এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রচণ্ড চাপের মধ্যে এই কঠিন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন যা সারা দেশে নজির হিসেবে দেখা হচ্ছে৷
বিএসএফ ২৪ অ ৭ নিজেদের উৎসর্গ করেছে৷ আইজি দাবি করেন, বিএসএফ-এর জওয়ানরা জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সর্বদা বিভিন্ন জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন৷ এবারও কোভিড-১৯ টিকাকরণে জাতীয় টিকা কর্মসূচির শীর্ষে থাকবে বিএসএফ৷ তিনি বলেন, আজ প্রায় ১০০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে৷ তিনি বলেন, করোনা-র টিকাকরণে আমরা ভীষণ উৎসাহিত এবং সমস্ত ধরনের আশঙ্কামুক্ত৷ তিনি এই কর্মসূচির জন্য ত্রিপুরার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের এবং বিশেষত ত্রিপুরার জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন৷
তিনি এ উপলক্ষ্যে তাঁর সমস্ত স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন যাঁরা কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে নিঃস্বার্থ সেবা করে গেছেন৷ আজ সকাল নয়টা থেকে সিএপিএফ কমপোজিট হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল৷ তাতে বিএসএফ-এর শালবাগান ক্যাম্পের সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের কোভিডশিল্ড ভ্যাকসিনের ১ ডোজ দেওয়া হয়েছে৷ ওই টিকাকরণ শিবিরের উদ্বোধন করেন ডা. বিজে লালওয়ানি, ডিআইজি, ডা. আশিস কুমার, সিএমও (এসজি), নোডাল অফিসার এবং সুশান্ত কুমার নাথ, আইজি, বিএসএফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার৷ (হি.স.)