গণধর্ষিতা দুই ছাত্রী, একজনকে দেওয়া হল জ্যান্ত কবর

অনলাইন ডেস্ক, ২১ জানুয়ারি।। একই দিনে দু’টি নারকীয় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলো মধ্যপ্রদেশে। রাজ্যের দুই প্রান্তে দুই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করার পর নির্মমভাবে খুনের চেষ্টা করা হয়। তবে আশ্চর্যজনকভাবে দুই ছাত্রীই প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। ঘটনার বীভৎসতায় তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে।

জানা গিয়েছে, ১৪ ও ১৯ বছরের দুই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়। বছর ১৪-র স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীর বাড়ি বেতুল গ্রামে। সে ক্ষেতে কাজ করছিল। সে সময়ই চার অভিযুক্ত তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। একাধিকবার ধর্ষণ করার পর ওই ছাত্রীর মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। এরপর মেয়েটির শরীরের উপর মাটি ও পাথর চাপা দিয়ে দেয় তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটির পরিবারের লোকজন তার খোঁজে ওই ক্ষেতের পাশে এসে মাটি ও পাথরের স্তুপের ভিতর থেকে কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়। এরপরই পাথর সরিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই ধর্ষণের প্রমাণ মেলে। এ ঘটনায় মহেন্দ্র সিং নামে এক স্থানীয় যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বর্তমানে নাগপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ইন্দোরে ১৯ বছরের এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীকে গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে ছুরি দিয়ে কোপায় অভিযুক্তরা। ছুরির আঘাতে রক্তাক্ত ওই ছাত্রী জ্ঞান হারালে তার দেহ বস্তায় ভরে ভাগীরথপুরা এলাকায় রেললাইনের উপর ফেলে দিয়ে পালায় অভিযুক্তরা। জ্ঞান ফিরলে মেয়েটি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় বাসিন্দারাই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ইন্দোর পুলিশ জানিয়েছে, ওই কলেজ ছাত্রী কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল। সে সময় তাকে দুষ্কৃতীরা তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই কলেজছাত্রী জানিয়েছেন, তাঁরই প্রাক্তন প্রেমিক ও প্রেমিকের বন্ধুরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রথমে তাঁকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। তারপর তিনি চিৎকার শুরু করলে ছুরি দিয়ে কোপানো হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?