বুধবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে হাবাস বলেছেন, “বাকিরী কী বলছেন সেটা আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। তবে কৃষ্ণকে নিয়ে আমি একেবারেই চিন্তিত নই। ওর প্রতি আমার অগাধ আস্থা রয়েছে। ও অসাধারণ স্ট্রাইকার। আগের ম্যাচেও কৃষ্ণ দু’-তিনটি গোল করতে পারত। ফুটবলে এ রকম হতেই পারে। আমি জাদুকর নই যে, মুহূর্তের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করে ফেলব। ফলে ওই বিষয় নিয়ে আলোচনা করার দরকার নেই। ওর প্রতি আস্থা রাখতেই হবে।” কিন্তু কৃষ্ণের সঙ্গে ছন্দ হারিয়েছেন দলের বাকি দুই স্ট্রাইকার ডেভিড উইলিয়ামস এবং মনবীর সিং। তা হলে গোলের রাস্তা খুলবেন কে? হাবাসের জবাব, “দেখতে হবে, এই পরিস্থিতি কী ভাবে সামাল দেওয়া যায়।”
মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে অতি রক্ষণাত্মক ফুটবল, এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণের অভাব। চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে কি রণকৌশলে পরিবর্তন হতে পারে? হাবাস মানছেন, তাঁর দলের খেলায় আগে যে সংঘবদ্ধ ভাব ছিল, তার খামতি দেখা গিয়েছে। তিনি বলেছেন, “রক্ষণ ও আক্রমণভাগের মধ্যে ভারসাম্য কী ভাবে ঠিক থাকে, তা খুঁজে বার করাই এখন প্রধান কাজ। তাই হয়তো খেলায় আরও উন্নতি করতে হবে। ৩০টি গোল করলাম, অথচ ২৫ গোল খেলাম। তাতে আখেরে তো কোনও লাভ হবে না। সেই ব্যাপারটা মেনে নিতে পারব না।” যদিও হাবাস মনে করেন, শেষ দুই ম্যাচের ফল দেখে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তিনি বলেছেন, “বাড়তি কোনও চাপ নেই এটিকে মোহনবাগানের।
লিগ টেবলের শীর্ষ স্থানে থেকেই আমরা প্রথম পর্বের খেলা শেষ করেছিলাম। সময় কখনও ভাল যায়, কখনও খারাপ। তা ছাড়া এটাও মনে রাখতে হবে, মুম্বই এবং এফসি গোয়া, দুটো দলই খুব শক্তিশালী। ওরাও তো খেতাবের দাবিদার। আমরা ভাল ফুটবল খেলেও কাঙ্ক্ষিত ফল আদায় করতে পারিনি। তবে ভুল থেকেই সকলে শিক্ষা নেয়। চেন্নাইয়িন-এর বিরুদ্ধে আমরা তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই খেলব।”