বছর দু’য়েক আগেই সংসদ ভবনের ক্যান্টিন থেকে ভরতুকি তুলে দেওয়ার দাবি উঠেছিল। এবার সেই দাবি মেনেই সিদ্ধান্ত নিলেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা।
লোকসভার বিজনেস অ্যাডভাইসারি কমিটিতে থাকা প্রতিটি দলের সাংসদরা সর্বসম্মতভাবে ভরতুকি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভরতুকি বন্ধ হওয়ায় এবার থেকে নির্ধারিত দামে অর্থাৎ বাজার চলতি দামেই ক্যান্টিন থেকে সাংসদদের খাবার কিনে খেতে হবে।
এতদিন পর্যন্ত এই ক্যান্টিন চালাতে সরকার বছরের ১৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিত। ফলে একেবারে জলের দরে খাবার পেতেন সাংসদরা। এতদিন পর্যন্ত মাত্র ৫০ টাকায় পাওয়া যেত চিকেনকারি।
ভেজ থালি ছিল ৩৫ টাকা। থ্রি কোর্স মিলের দাম ছিল মাত্র ১০৬ টাকা। দক্ষিণ ভারতীয় খাবারেও মিলত বিপুল পরিমাণ ছাড় পাওয়া যেত। সাদা ধোসার দাম ছিল মাত্র ১২ টাকা। মশলা ধোসার দাম অবশ্য ছিল কিছুটা বেশি।
উল্লেখ্য, ২৯ জানুয়ারি শুরু হতে চলেছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে প্রত্যেক সংসদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। অধিবেশন শুরু হবে সকাল ন’টায়, চলবে দুপুর দু’টো পর্যন্ত। অন্যদিকে লোকসভার কাজ শুরু হবে বিকেল চারটে থেকে।
চলবে রাত আটটা পর্যন্ত। ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি সংসদ চত্বরে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। ১ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।