পেঁচারথলে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কারণে শহীদের পরিবারের প্রতি সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। তিনি বলেন, পূর্বতন সরকার গরিবের সরকার ক্ষেতমজুরের সরকার বলে প্রচার করে গেছেন কিন্তু একটিও ফসল বীমা যোজনা চালু করতে পারেনি। বর্তমানে ‘মুখ্যমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা’ – এর মাধ্যমে পেঁচারথলের ১১৩৪ জন কৃষক লাভান্বিত হয়েছেন। ১০ টাকার বিনিময়ে কৃষকদের জন্য ফসল বীমা যোজনা যা একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। এই বীমার আওতায় আসা কৃষকদের কৃষি কোন কারনে নষ্ট হলে তার ক্ষতিপূরণ সরকার দেবে। তাই রাজ্যের সকল কৃষকদের এর আওতায় আনা হবে।
এবং এখন পর্যন্ত ৮০% কৃষকদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এই প্রকল্পে ত্রিপুরা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। ‘কিষান ক্রেডিট কার্ড’ – এর মাধ্যমে পেঁচারথলের ৩৫২৩ জন কৃষক লাভান্বিত হয়েছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরাও কেসিসি লোন নিয়ে তাদের কৃষি কাজ করতে পারবেন। ‘প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি’-এর মাধ্যমে ২২৮৫ জন কৃষকের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রত্যেক বছর ছয় হাজার টাকা সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে চলে যায়।
পূর্বতন সরকার প্রেতাত্মাকেও ভাতা প্রদান করত কারণ সেই প্রেতাত্মা ছিল সিপিআইএম – এর প্রেতাত্মা। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সরকার এই প্রেতাত্মার ভাতা বন্ধ করাতে, সিপিআইএম বলছে সরকার নাকি চারিদিকে ভাতা বন্ধ করে দিয়েছে। পেঁচারথলে বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার মিলে ৩৮৪৬ জন ভাতা পেয়ে থাকেন। মহিলা স্বশক্তিকরণ-এর জন্য কেউ যদি সত্যিকারের কাজ করে থাকে তাহলে সেটা হচ্ছে বর্তমান বিজেপি সরকার।
আগে শুধুমাত্র বিপিএল অন্তোদয় ছাত্রীদের সাইকেল প্রদান করা হতো। বর্তমান সরকার বিপিএল, অন্তোদয়, এপিএল সকল ছাত্রীদের জন্য সাইকেল প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। এখন পর্যন্ত পেঁচারথলে ৭২১ টি সাইকেল প্রদান করা হয়েছে। আরও ২৩৫ সাইকেল প্রদানের জন্য অনুমোদন পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে ৫,৬২৫ টি মহিলাদের স্ব-সহায়ক গোষ্ঠী রয়েছে যার জন্য সরকারের তরফ থেকে ৮১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আমাদের সরকার আসার আগে স্ব-সহায়ক গোষ্ঠী ছিল মাত্র ১১০৮ টি অর্থ বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা।