এদের মধ্যে খারিফ মরশুমে ২.০৬ লক্ষ এবং রবি মরশুমে ০.১৭৫ লক্ষ কৃষক বীমার আওতায় এসেছেন৷ কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা জানান, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পে তাদের প্রিয়িয়ামের অধিকাংশ প্রদেয় টাকা দেওয়া হয়েছে৷ পি এম কিষাণ প্রকল্পের আওতায় থাকা সমস্ত কৃষকদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের আওতায় আনতে ৮৫,৫১৭টি কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মোট ৩২৮.৬৭ কোটি টাকার কৃষি ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে৷ তাছাড়া রাজ্যের ৬৭,৯৭৯ হেক্টর জমি শ্রী পদ্ধতিতে ধান চাষের আওতায় আনা হয়েছে৷
তার মধ্যে উচ্চফলনশীল ধান চাষ করা হয়েছে ১৯,৫০০ হেক্টর এবং সংকর প্রজাতির ধান চাষ করা হয়েছে ৪৮,৪৭৯ হেক্টর জমিতে৷ কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা জানান, উল্লেখিত সময়ে ৬,৫৪৮ জন কৃষকের কাছ থেকে ৯,৯৪৫.৪৯ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করে ১৫.৫২ কোটি টাকা ন্যনতম সহায়ক মূল্য হিসেবে তাদের প্রদান করা হয়েছে৷ তাছাড়া কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়নে ৫৪টি ফার্মার্স নলেজ সেন্টার, ১২টি গ্রামীণ সংগ্রহ কেন্দ্র, ২৭টি গ্রামীণ বাজার ও ২১টি কৃষক বন্ধু কেন্দ্র নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে৷