আগুনের লেলিহান শিখা দেখে স্থানীয় লোকজন বেরিয়ে যান। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে।দমকল বাহিনীর জওয়ানরা এসে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় টানা দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে। এর মধ্যেই বারোটি দোকান সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা যায়নি।
তবে প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক হিসেবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অর্ধকটি টাকা বলে জানা গেছে।অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি ব্যবসায়ীকে আপৎকালীন আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে বলে প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে ১২ টি দোকান ভস্মীভূত হয়ে গেছে সেইসব দোকানের মালিকরা একবারে অসহায় হয়ে পড়েছেন।প্রশাসনের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি দোকানইকে পর্যাপ্ত আর্থিক সাহায্য প্রদানের জন্য স্থানীয় তরফ থেকে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।