বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে। হাজার হাজার বিরোধী কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। পঙ্গু হয়ে গেছে বহু কর্মী-সমর্থক। দোকানপাট, জীবিকা, ঘর বাড়ি সমস্ত কিছু আক্রান্ত। আক্রান্ত পর বিরোধী সমর্থকদের বাড়িতে জনপ্রতিনিধিদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু তাই নয় নির্বাচনি এলাকায় যেতে পারছে না বিধায়করা। হীন রাজনৈতিক শুরু হয়েছে রাজ্যে। দু’শতাধিক দলীয় অফিস ভাঙচুর করেছে শাসক দলের দুর্বৃত্তরা। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বহু কর্মী সমর্থকদের বাড়িঘর। কিছু কিছু মহাকুমার এবং জেলা অফিস খুলতেও দেওয়া হচ্ছে না। সরকার এবং পুলিশের কাছে আইন শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে দাবি জানালেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।
মানুষ সব বুঝতে পারছে বলে জানান তিনি। গত রবিবার ও রাজ্যসভার সদস্য ঝর্ণা দাশ বৈদ্যের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। দেহরক্ষী আক্রমণ হয়েছেন। শহর দক্ষিণাঞ্চলে অফিস আক্রমণ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। রাজ্য পুলিশ তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছে না। পুলিশের দায়িত্ব আইনের শাসন রক্ষা করা। কিন্তু পুলিশকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে জানানো হচ্ছে। বিরোধীদের মিটিং মিছিল করার কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে না পুলিশ। কিন্তু শাসক দল নিয়মিত কর্মসূচি পালন করে চলেছে। এ ধরনের ঘটনায় তীব্র নিন্দাজনক বলে জানান তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে বলেন সংবাদমাধ্যম পর্যন্ত আক্রান্ত।
মুখ্যমন্ত্রী নিজের উস্কানি দিলে একের পর এক সংবাদমাধ্যমের উপর আক্রমণ হচ্ছে। কিন্তু পুলিশের কোন রকম ভূমিকা নেই। এর জবাব চাইতে আসা হয়েছে রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের কাছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শন চলার পর রাজ্য পুলিশ মহানির্দেশকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তিনি ব্যস্ত আছেন। আগামী বুধবার বা বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের নেতৃত্বদের সাথে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে, সিপিআইএম আহ্বায়ক বিজন ধর সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।