একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন স্টার্ট আপ সংস্থাগুলিকে সাহায্য করতে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেন। ভার্চুয়াল পদ্ধতি বা অনলাইনে এই সম্মেলনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। এই সম্মেলনে স্টার্ট আপ সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিমস্টেক গোষ্ঠীর দেশগুলির প্রতিনিধিরাও।
এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কারণে স্টার্ট আপ সংস্থাগুলি প্রভূত সুবিধা পেয়েছে। আগে এ দেশের যুবসম্প্রদায় চাকরির জন্য বিভিন্ন জায়গায় ছুটে যেত। কিন্তু এখন আর তারা চাকরির জন্য কোথাও যান না। বরং নিজেরাই স্টার্ট আপ খোলার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী।
এই মুহূর্তে ভারতের ৪১ হাজারের মতো স্টার্ট আপ রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইটি সেক্টরে আছে ৫৭০০টি, কৃষিক্ষেত্রে ১৭০০টি এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ৩৬০০টি স্টার্ট আপ রয়েছে। এই স্টার্ট আপগুলির জন্য দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের ছবি আমূল পাল্টে গিয়েছে। এক সময় যারা বলত আমরা কেন চাকরি করব না, আজ তারাই পাল্টা বলছেন আমরা চাকরির বদলে স্টার্ট আপ করব।
এরপরই প্রধানমন্ত্রী দেশের স্টার্ট আপ সংস্থা গুলির উন্নতির জন্য এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, আমরা অফ দ্য ইয়ুথ, বাই দ্য ইয়ুথ ফর দ্য ইয়ুথের উপর ভিত্তি করে নতুন স্টার্ট আপ সিস্টেম তৈরি করব। এজন্য স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া তহবিলে ১০০০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার।