এই শীর্ষ সম্মেলনের আগেই ভারত সফরে আসতে পারেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। উল্লেখ্য, ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে আসার কথা ছিল জনসনের। কিন্তু ব্রিটেনে করোনার নতুন সংক্রমণ শুরু হওয়ায় জনসন সেই সফর বাতিল করেন। ভারত ছাড়াও এই বৈঠকে এবার আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে।
ব্রিটেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জি-৭ এর প্রতিনিধি হিসেবে করোনা পরবর্তী উন্নত পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য এই বৈঠকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনে যোগ দিলে ভারত ব্রিটেনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। ব্রিটেনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বের ৫০ শতাংশেরও বেশি ওষুধ ভারতে তৈরি হয়। করোনার বিরুদ্ধে ভারত ও ব্রিটেন এক সঙ্গে লড়াই করছে।
করোনার বিরুদ্ধে কীভবে লড়াই চলবে তা নিয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার কথা বলেছেন। এই বৈঠকে যোগ দিলে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ মতামত পাওয়া যাবে। অন্যদিকে ভারতের দিক থেকে দেখলে এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমন্ত্রণ পাওয়া যথেষ্টই সম্মানের ব্যাপার। এই বৈঠকে যোগ দিয়ে ফের একবার গোটা বিশ্বের সামনে ভারতকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন মোদি।