ওই চিঠিতে শতাধিক প্রাক্তন আমলা লিখেছেন, দেশের নাগরিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতা থাকা উচিত। প্রধানমন্ত্রী সকলের কাছেই একজন সম্মানীয় ব্যক্তি। সেই কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রীর উচিত, ওই তহবিলের হিসাব যত শীঘ্র সম্ভব প্রকাশ্যে আনা। প্রধানমন্ত্রী পদের একটি বিশেষ মর্যাদা ও সম্মান রয়েছে। যা রক্ষা করা অবশ্যই কর্তব্য। উল্লেখ্য, করোনাজনিত পরিস্থিতির বিপুল খরচ মেটাতে পিএম কেয়ার্স ফান্ড তৈরি করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এখনও পর্যন্ত ওই তহবিলে কত টাকা জমা পড়েছে, কত টাকা কোন খাতে খরচ হয়েছে সে সমস্ত তথ্য প্রকাশ করা উচিত বলে প্রাক্তন আমলারা মনে করেছেন।
উল্লেখ্য, আমলাদের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এই তহবিলের জমা খরচের হিসাব প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছিল। যদিও সরকার সেই পথে হাঁটেনি। এমনকি, ওই ফান্ডের হিসাব নিকাশ নিয়ে মামলা গড়িয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতে। যদিও সর্বোচ্চ আদালত সে সময় সরকারের পক্ষেই রায় দিয়েছিল। উল্লেখ্য দেশে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল। এ ধরনের একটি তহবিল থাকার পরেও কেন পিএম কেয়ার্স ফান্ড তৈরি করা হল তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়।
দেশ-বিদেশের বহু মানুষ এবং বিভিন্ন সংস্থা এই পিএম কেয়ার্স ফান্ডে টাকা জমা দেন। করোনা মোকাবিলায় এই অর্থ খরচ করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন। এই তহবিলকে অডিট এবং আরটিআই-এর উর্দ্ধে রাখা হয়েছিল। ফলে এই তহবিলে কত টাকা জমা পড়েছে, কোন খাতে কত খরচ হয়েছে তা স্পষ্ট জানানো হয়নি। পিএম কেয়ার্স ফান্ড নিয়ে প্রথম থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। এরই মধ্যে আমলাদের এই চিঠি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।