অনলাইন ডেস্ক, ১৬ জানুয়ারি।। বছর ৩২-এর এক যুবতীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ২০ বছরের এক যুবকের। বেশ কিছুদিন ধরে ওই যুবতীর কোনও খোঁজ মিলছিল না। বারবার ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও যুবতীর কোনও সন্ধান মেলেনি। ওই যুবক জানায় তার প্রেমিকা চলে গিয়েছে।
শেষ পর্যন্ত ওই যুবতীর কোন হদিশ না পেয়ে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর টানা জেরায় যায় জানা যায় সে ওই তরুণিকে খুন করেছে। খুনের পর দেহটি ফ্ল্যাটের দেওয়ালে গেঁথে দিয়েছে।
ওই যুবতী বারবার বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ার কারণেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে যুবক স্বীকার করে নিয়েছে। শনিবার দুপুরে ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলায়।
দুই পরিবারই এই যুবক-যুবতীর সম্পর্কের কথা জানত। ২১ অক্টোবরের পর থেকে ওই তরুণীর আর কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল নাধ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের সুইচও ছিল বন্ধ। ওই যুবককে বারবার জেরা করা হলে সে জানায়, গুজরাতে কোনও কাজে গিয়েছে ওই যুবতী। কিন্তু ওই যুবকের অসংলগ্ন কথাবার্তায় পরিবারের সন্দেহ বাড়ে।
তার পরই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায় তরুণীর পরিবার। থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই তরুণ ও তরুণীর মধ্যে পাঁচ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
যুবতী বারবার বিয়ের কথা বললেও ওই যুবক এড়িয়ে যাচ্ছিল। তদন্ত শুরু করে পুলিশ ওই যুবকের ফ্ল্যাটে যায়। ফ্ল্যাটে গিয়ে তদন্ত করার সময় দেখা যায় একটি দেওয়ালে নতুন রং করা হয়েছে। সেই দেওয়াল খুঁড়তেই ভিতর থেকে উদ্ধার হয় একটি কঙ্কাল।
ডিএনএ টেস্ট করার পর ওই যুবতীর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ। এরপর শনিবার ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুন, তথ্য প্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ওই তরুণ একাই এই কাজ করেছে, না তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।