যে নজির সৃষ্টি হল সেটা আমার কাছে বিপজ্জনক মনে হচ্ছে। ‘ ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার ঘটনায় টুইটারেরও ব্যর্থতা দেখছেন তিনি, ‘আমরা ভালো আলাপচারিতার উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারিনি। ’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনের আগে থেকে রীতিমতো ত্রাস ছড়াতে থাকেন ট্রাম্প। টুইটার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আগেভাগে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। ভোট শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগেই ট্রাম্পের ভুয়া পোস্টগুলোতে ল্যাবেল জুড়ে দেয়া হয়। তাদের দেখাদেখি ফেইসবুকও একই কাজ করে।
বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেইসবুককেই একটু ‘ট্রাম্পপন্থী’ হিসেবে এত দিন দেখা গেছে। নির্বাচনে হারার পর সেই তারা এখন ট্রাম্পের বড় সমালোচক।
মার্ক জাকারবার্গ ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্রাম্প পোস্ট করতে পারবেন না। টুইটারের সিইও বলছেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি সবার কথা বিবেচনা করে। মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে। ’