উল্লেখ্য, গত ছয় মাস ধরেই তার দৃষ্টিশক্তি ক্রমশ কমে আসছিল৷ এরআগে তিনি বর্হিরাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন৷ সেখানে তার নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়৷ তার চোখে ইে’কশনও দেওয়া হয়৷ পেটের ভেতর থেকে রস সংগ্রহ করে পরীক্ষাও করা হয়৷
প্রচুর অর্থও ব্যয় হয় বর্হিরাজ্যের চিকিৎসায়৷ গত ১৩ ডিসেম্বর সঙ্কটজনক অবস্থায় তিনি এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি হন৷ তিনি তীব রক্তাপ্লতায় ভুগছিলেন৷ তাকে তৎক্ষণাৎ মেডিক্যাল আই সি ইউ তে স্থানান্তরিত করা হয়৷ তাকে দু’বোতল রক্ত দেওয়া হয়৷ তাছাড়া অন্যান্য ওষুধপত্রও দেওয়া হয়৷ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষাও দ্রত করা হয়৷ শেষে তার কানেকটিভ টিস্যু ডিজর্ডার বলে সনাক্ত করা হয়৷ আই সি ইউতে ১৬ দিন চিকিৎসার পর তিনি সুুস্থ হয়ে উঠেন৷ এজিএমসি’র মেডিসিন বিভাগের এইচ ও ডি ডাঃ প্রফেসর শ্যামল রায়ের তত্বাবধানে চিকিৎসকদের একটি দল মহিলার চিকিৎসা করেন৷
বর্তমানে তিনি সুুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন৷ সম্পতি একের পর এক জটিল অস্ত্রোপচার সাফল্যের পর রাজ্যের চিকিৎসকদের এই সাফল্য নিশ্চিতভাবে এ রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি করবে বলে দপ্তর মনে করে৷ স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা আজ এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানান৷