স্টাফ রিপোর্টার, অমরপুর, ১৩ জানুয়ারি।।তীর্থমুখের পৌষসংক্রান্তি মেলা এ রাজ্যের এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য৷ একদিকে ত্রিপুরা যেমন মডেল রাজ্য হবে তেমনি সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও এক আদর্শ রাজ্য গড়ে উঠবে৷ আজ তীর্থমুখে পৌষসংক্রান্তি মেলার উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব একথা বলেন৷
মেলার উদ্বোধন করে তিনি বলেন, আগামী ২০২২ সালের মধ্যেই রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হবে৷ রাজ্যের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে সরকার৷ কেন্দ্রীয় সরকারের ফ্ল্যাগশীপ প্রকল্পগুলির সুুবিধা রাজ্যের অন্তিম মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে৷
তিনি বলেন, ত্রিপুরা এখন আর্ন্তজাতিকস্তরে পরিচিতি পাচ্ছে ক্যইন আনারস, জনজাতিদের ঐতিহ্যময় রিসা ও রাজ্যে উৎপাদিত বাঁশ বেতের শিল্প সামগ্রীর জন্য৷ এসমস্ত সামগ্রী দেশ-বিদেশে বাজারজাত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার৷ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের কল্যাণে ও কৃষির বিকাশে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি যোজনায় কৃষকদের যেমন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে তেমনি কৃষকদের প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে৷
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদ এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আগামী দু’বছরে ২০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে৷
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া বলেন, তীর্থমুখের পৌষসংক্রান্তি মেলা রাজ্যের মানুষের সম্পীতির এক উজ্জল নিদর্শন৷ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া, বিধায়ক সিন্ধ চন্দ্র জমাতিয়া, জেলাশাসক দেবপ্রিয় বর্ধন প্রমুখ৷
স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের সচিব তনুশ্রী দেববর্মা৷ মেলা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ৭টি প্রদর্শনী মণ্ডপ খোলা হয়েছে৷ মেলায় সারা রাত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে৷