অনলাইন ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারি।। তাঁকে ফাঁসানোর জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি করলেন মহারাষ্ট্রের সমাজ ও ন্যায়বিচার মন্ত্রী ধনঞ্জয় মুন্দে। রাজ্যের এই মন্ত্রী বুধবার স্পষ্ট জানান, ওই মহিলা তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইছেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, ওই মহিলার বোনের সঙ্গে ২০০৩ থেকেই তাঁর সম্পর্ক রয়েছে। ওই মহিলার দুই সন্তানের পিতা তিনি। তাঁর পরিবারও এই সম্পর্কর কথা মেনে নিয়েছে।
উল্লেখ্য, দুদিন আগে এক মহিলা তাঁর আইনজীবী মারফত মুম্বইয়ের ওশিওয়ারা থানায় ধনঞ্জয় মুন্দের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার প্রেক্ষিতে এনসিপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী ধনঞ্জয় বলেন, অভিযোগকারিণী এবং তার বোন মিথ্যা অভিযোগ করে টাকা আদায় করতে চাইছেন।
তিনি এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। অন্যদিকে অভিযোগকারিণী পাল্টা বলেছেন, ১৯৯৭ থেকে তিনি ধনঞ্জয়কে চেনেন। ধনঞ্জয় তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে আশ্বাস দিয়েছিলেন, বলিউডে গায়িকা হিসেবে সুযোগ করে দেবেন।
ওই মহিলার আইনজীবী এদিন বলেছেন, এখনও এই অভিযোগের কোনও এফআইআর হয়নি। তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে ধনঞ্জয় প্রথমবার ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেছিলেন। তার ভিডিও করা হয়েছিল। ২০১৯ মন্ত্রী মহিলাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।
তিনি হুমকি দেন, যদি মহিলা বেশি হইচই করেন তবে তিনি ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করে দেবেন। মহিলার আইনজীবীর দাবি, পুলিশ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর নিতে অস্বীকার করেছে। তাই পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদে তারা আদালতে যাবেন।
ইতিমধ্যে ওই মহিলার যদি কোনও ক্ষতি হয় তবে তার জন্য মন্ত্রী দায়ী থাকবেন। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর যথারীতি ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে বিজেপির মহিলা শাখা। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে অবিলম্বে ধনঞ্জয়কে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর দাবি তুলেছে বিজেপি। ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রে ফের সক্রিয় হয়ে উঠতে চাইছে বিজেপি।