হরিয়ানার বহু গ্রামে বিজেপি নেতাদের প্রবেশ নিষেধ, পড়ল পোস্টার

অনলাইন ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারি।। মাত্র একদিন আগে সুপ্রিম কোর্ট তিন কৃষি আইনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে। কিন্তু তাতে কৃষকদের বিক্ষোভ কমা তো দূরের কথা যেন ক্রমশই বাড়ছে। শুধু দিল্লিতেই যে কৃষকদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হচ্ছে তা নয়, পঞ্জাব ও হরিয়ানাতেও কৃষক আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের তৈরি এই কৃষি আইনের প্রতিবাদ জানাতে হরিয়ানার একাধিক গ্রামে বিজেপি নেতাদের ঢোকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এব্যাপারে গ্রামের ঢোকার মুখেই পড়েছে পোস্টার।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিয়ানায় প্রায় ১০০-র কাছাকাছি গ্রামে বিজেপি ও জেজেপি নেতাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এই দুই দলের নেতারা যাতে গ্রামে ঢুকতে না পারেন সে জন্য রীতিমতো নোটিস ঝোলানো হয়েছে। গ্রামের বাড়ির দেওয়ালে পোস্টার লাগান হয়েছে। এই পোস্টার হরিয়ানা সরকারকে রীতিমতো চাপে ফেলে দিয়েছে। কৃষকরা মনে করছেন, বিজেপি ও জেজেপির নেতারা যুক্তি করে এই আইন তৈরি করেছেন। সে কারণেই ওই দুই দলের নেতাদের গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

হরিয়ানার পরিস্থিতি যে ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে সেটা আঁচ করে মঙ্গলবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টার ও উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্যন্ত চৌতলাকে। বুধবার তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দিল্লিতে বিক্ষোভরত কৃষকরা বিতর্কিত আইনের প্রতিলিপি পুড়িয়ে দেন। কৃষক নেতাদের দাবি, এদিন বিতর্কিত কৃষি আইনের লক্ষ্য লক্ষ্য প্রতিলিপি পুড়িয়েছেন কৃষকরা। পাশাপাশি ২৬ জানুয়ারি ট্রাক্টর মিছিলের প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে।

কৃষকদের এই আন্দোলন যে শাসক দলের উপর চাপ আরও বাড়াবে তা বলাই বাহুল্য। কৃষকদের উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে শীর্ষ আদালত চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করলেও কৃষক সংগঠনগুলির নেতারা ওই কমিটির সঙ্গে কোনও রকম আলোচনায় বসতে নারাজ। তাদের দাবি, ওই চার সদস্য সরকারের হয়েই কথা বলবে। তাই তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাওয়া মানে সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই নয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?