আমবাসা থানার ওসি জানিয়েছেন, আজ সকাল ১১টা নাগাদ খবর আসে, রামকৃষ্ণ মিশন রোডের আমবাসা কলোনি এলাকায় জয়া শাহি এবং কাজলি শাহি খুন হয়েছেন৷ খবর পেয়ে পুলিশবাহিনী নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান৷ সেখানে উত্তেজিত স্থানীয় জনগণ বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছিলেন৷ কারণ, খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত নারায়ণ দাস ওইসময় ঘরের ভেতরেই ছিলেন৷ তিনি বলেন, দীর্ঘ চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে৷ সাথে নারায়ণ দাসকেও গ্রেফতার করা হয়েছে, জানান ওসি৷ ওসির কথায়, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় সদর মহকুমার অধীন হাঁপানিয়া মধ্যপাড়ার বাসিন্দা নারায়ণ দাস আজ সকালে ট্রেনেএ শ্বশুর বাড়ি এসেছিলেন৷
এর পর তিনি দা দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী জয়া শাহি এবং শাশুড়ি কাজলি শাহিকে খুন করেছেন৷ তাঁদের দুই পুত্র সন্তানও রয়েছে৷ তাঁদের কাছ থেকে খুনের ঘটনায় কিছু বিবরণ পাওয়া গেছে৷ ওসি বলেন, স্ত্রী ও শাশুড়িকে খুন করার বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন নারায়ণ দাস৷ তাঁকে চিকিৎসার জন্য কুলাই জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে৷ তিনি বলেন, ওই ঘটনায় এলাকাবাসী প্রচণ্ড উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন৷ কিন্তু, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে৷ ঘটনাস্থলে আমবাসা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং ফরেন্সিক টিম গিয়েছিলেন৷ তাঁর কথায়, হত্যার কারণ এখনও জানা সম্ভব হয়নি৷ তবে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। (হি.স.)