কঙ্গনা টুইটার সিইওর একটি পুরনো টুইটও শেয়ার করেন, যেখানে লেখা ছিল, ‘টুইটার বাক স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলে। ক্ষমতার দিকে সত্যি কথা তুলে ধরার পক্ষে আমরা। ‘
টুইটটি শেয়ার করে কঙ্গনা লেখেন, ‘একদমই নয়। মুসলিম দেশ এবং চীনের মতাদর্শ দ্বারা আপনারা প্রভাবিত। নিজেদের সুবিধা নিয়ে আপনারা শুধু কথা বলেন। অসহিষ্ণুতাই দেখাতে পারেন আপনারা। নিজের লোভের দাস ছাড়া আপনারা কিছু নন। ‘
এরআগে যুক্তরাষ্ট্রের আইন-প্রণেতারা গত বুধবার যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের জয় আনুষ্ঠানিক অনুমোদনে বসেন, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শতশত সমর্থক ক্যাপিটল ভবনে ঢুকে পড়েন। তারা ভবনটি কার্যত কয়েক ঘণ্টা দখলে রাখেন। বিক্ষোভকারীরা ধীরে ধীরে ক্যাপিটল প্রাঙ্গণ ছেড়ে বাইরে চলে যান।
ওই দিনের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের টুইট সহিংসতাকে আরও উসকে পারে- এমন আশঙ্কায় তার অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ।
টুইটার কর্তৃপক্ষ বলছে “@realDonaldTrump অ্যাকাউন্ট থেকে করা টুইটগুলো গভীর পর্যবেক্ষণ এবং সেগুলো ঘিরে যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে তা পর্যালোচনা করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তার আগে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টটি টুইটার কর্তৃপক্ষ ১২ ঘণ্টা অচল করে রাখে। টুইটার তখন সতর্ক করে বলেছিল, তারা ট্রাম্পকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করবে যদি তিনি এই প্ল্যাটফর্মের নিয়মনীতি ভঙ্গ করেন।