এখনও পর্যন্ত ইরানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লক্ষেরও বেশি। সেদেশে দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানবাসী মনে করেছিলেন, সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে করোনার ভ্যাকসিন আমদানি করবে। কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খোমেইনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ব্রিটেন ও আমেরিকা থাকে তাঁরা কোন ভ্যাকসিন দেশে ঢুকতে দেবেন না।
শুক্রবার খোমেইনি টুইট করে জানান, আমেরিকা ও ব্রিটেনের তৈরি ভ্যাকসিন নিষিদ্ধ ইরানে। আমি ইতিমধ্যেই বিষয়টি প্রশাসনিক আধিকারিকদের জানিয়ে দিয়েছি। সমস্ত দেশবাসীকে বলছি, এই দু’টি দেশের প্রতি আমার কোনও আস্থা ও বিশ্বাস নেই। ওই দুই দেশ অনেক সময় ভিন দেশের নাগরিকদের ওপর ওষুধ এবং ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে চায়। আমেরিকা যদি সত্যিই এই মহামারীর ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে সক্ষম হত তাহলে তাদের নিজেদের দেশের এই পরিস্থিতি হত না। আমেরিকায় করোনা কতটা প্রভাব ফেলেছে সেটা সবাই জানে।
উল্লেখ্য, ২০১৯-এ ইরানের প্রাক্তন সেনাপ্রধান কাসেম আলি সোলেইমানির মৃত্যুর পর থেকেই আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের একগুঁয়ে মনোভাবের জন্য দুই দেশের সম্পর্ক খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আমেরিকার ওপর তেহরানের রাগ যে কমেনি খোমেইনির এই সিদ্ধান্তে সেটাই প্রমাণ হল।