কারন রুমি দেববর্মার মৃত্যুর পর সরকারের দিকে আঙ্গুল তুলে শনিবার রাতে মাথা ন্যাড়া করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রতিবাদে সামিল হয়। মৃত শিক্ষিকা রুমি দেববর্মার স্বামীও একজন ১০৩২৩-এর শিক্ষক। রুমি দেববর্মা তার লেখা সুইসাইড নোটে মৃত্যুর কারন হিসাবে লিখেছেন স্বামীর অপর মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক। রুমি দেববর্মা তার সুইসাইড নোটে চাকুরি হারানোর ফলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে কিছু উল্লেখ করেন নি। ৫ পাতার সুইসাইড নোট থেকে তা স্পষ্ট। এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গনঅবস্থানরত শিক্ষক শিক্ষিকারা নিজেদের লজ্জা ঢাকতে নয়া কৌশল অবলম্বন করে রবিবার।
রুমি দেববর্মার মৃতদেহ নিয়ে তারা আন্দোলন করতে উদ্যত হয়ে পরে। রবিবার যখন রুমি দেববর্মার মৃতদেহ প্রশাসনের উদ্যোগে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়, বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তখনই গনঅবস্থানরত শিক্ষক শিক্ষিকাদের মতিভ্রম ঘটে। তখন তারা মৃতদেহ গণঅবস্থান স্থলে নিয়ে আসতে চায়। প্রশাসন এতে বাধা দান করতেই গনঅবস্থানরত শিক্ষক শিক্ষিকারা গনঅবস্থানস্থল থেকে বেরিয়ে প্যারাডাইস চৌমুহনি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বসে। নিন্দা জানান আন্দোলনরত শিক্ষক শিক্ষিকারা। পরবর্তী সময় পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠে । পুলিশ তাদের ঘেরাও করে রাখে । তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আত্মহত্যা করা এক শিক্ষিকার মৃতদেহ নিয়ে গনঅবস্থানরত শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে।