কিন্তু এ বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্য শনিবার মন্ত্রী সান্তনা চাকমাকে সাংবাদিক সম্মেলনে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোন তথ্য তুলে ধরতে পারেনি সাংবাদিকদের কাছে। এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই বলে জানান অথাৎ গোয়াহাটি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য দপ্তর পাঠিয়েছে সেটা তিনি জানেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন। তাহলে এখন প্রশ্ন হল, দপ্তরের আধিকারিকের সাথে কি মন্ত্রীর কোনরকম যোগাযোগ নেই ? নাকি দপ্তরের আধিকারিক কোন বিষয় ধামাচাপা দিতে মনগড়া তথ্য সাংবাদিকদের জানালেন ? উল্লেখ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা শনিবার নিজ সরকারি আবাসনে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বার্ড ফ্লু নিয়ে অযথা আতঙ্কের কোন কারণ নেই।
রাজ্যে ২০০৮ এবং ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে দু’বার ব্লাড ফু হয়েছিল। ডিম এবং মাংস ভাল করে সিদ্ধ করে খাওয়ার জন্য রাজ্যবাসীকে জানিয়েছেন তিনি। এবং রাজ্যের সমস্ত জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোন সন্দেহ হলে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দত্ত কন্ট্রোল রুমে খবর দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে দাবি করেন তিনি। দপ্তরের উত্তর জেলার সচিবকে চুরাইবাড়ি চেকপোষ্টে নজরদারি চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে রাজ্যে উদয়পুরের এবং বিশালগড়ে যে সমস্ত হাঁস এবং মুরগির মৃত্যু হয়েছে তা জীবাণুঘটিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাই যাদের ফার্ম রয়েছে তারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি।
পাশাপাশি যারা পশু পালন করে তারা সরকারি নির্দেশিকা যাতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয় সেই বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রীমতি চাকমা তুলে ধরেন। তবে পরিযায়ী পাখি দ্বারা যে রাজ্যে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ঘটতে পারে কিনা সে বিষয়ে কোনো রকম স্পষ্টীকরণ দেন নি তিনি।