দেশ এবং রাজ্যে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হওয়াতে দিল্লিতে যা ঘটছে তার প্রতিফলন ঘটছে রাজ্যে। ২০১৪ সাল এবং ২০১৯ সালে বিজেপি যে কথা বলে সরকারে এসেছে বিজেপি এর কোনটাই বাস্তবায়িত করে নি। ফলে সাধারণ মানুষ এই সরকারের উপর আস্থা রাখতে পারছে না। এদিকে সরকারও মানুষকে নিজেদের অধীনে রাখতে পারছে না। সরকার ভয়ে আশ্বস্ত হয়ে ধারাবাহিকভাবে জনগণের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আর এটা প্রতিহত করতে হবে। আর প্রতিহত না করতে পারলে এটা দেশবাসীর উপর আঘাত আসবে। শুধু তাই নয়, দলের ভেতর এক গোষ্ঠী অপর গোষ্ঠী দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে।
আর এটা একটা অংশের মানুষ চোখ খুলে দেখছে। আরেকটা অংশের মানুষ উপভোগ করছে বলে জানালেন বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। দেশকে সঠিক দিশায় নিয়ে যেতে হবে। আর সেই দিশা এগিয়ে নিয়ে যেতে আইনজীবিদের এর জটিল পরিস্থিতিতে সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, চাহিদাপূর্ন এবং তাৎপর্যপূর্ণ বলে জানান তিনি। দেশের কৃষি বিল ডান্ডা উঁচিয়ে পাশ করে নিয়েছে। এর দ্বারা স্পষ্ট গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ শ্রমিক কৃষক এবং গরিব মানুষ দ্বারা আসছে না। এটা আসছে শোষকদের কাছ থেকে।
আর এটা সরকার করছে পুঁজিপতিদের স্বার্থে। যার দরুন অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে। জি ডে পি নিম্নমুখী হচ্ছে। সাধারণ মানুষের আয়ের ক্ষমতা কমছে আর অপরদিকে পুঁজিপতিদের আয় বাড়ছে। আর এটা যে শুভ সংকেত নয় তা আলোচনায় তুলে ধরেন তিনি। সম্মেলনে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সারা ভারত আইনজীবী ইউনিয়নের সভাপতি বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা।